অনুধাবন/Realization - দিগন্ত/DIGANTA

Breaking

BANNER 728X90

Sunday, November 3, 2019

অনুধাবন/Realization

অনুধাবন

https://www.prothomalo.com/special-supplement/article/1560141/%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%A8

দিগন্ত কুমার রায়

আপডেট: ০৫ অক্টোবর ২০১৮, ০০:২৪
দিগন্ত কুমার রায়। ছবি: লেখকদিগন্ত কুমার রায়। ছবি: লেখক

আমার শিক্ষকদের মধ্যে অত্যন্ত প্রিয় ছিলেন শ্রদ্ধেয় ভোলানাথ বর্মা স্যার। তিনি আমাকে অনেক ভালোবাসতেন। পড়াশোনার খোঁজখবর নিতেন, অনেক সহযোগিতাও করতেন। ওনার সঙ্গে স্কুল জীবনের অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে। একদিন ক্লাসে হাতের লেখা অনেকেই নিয়ে আসিনি। তো যথারীতি যা হওয়ার তাই, সবাইকে দাঁড়াতে বললেন, দাঁড়ালাম। ওনার হাতের মাইরের চেয়ে কথার মাইর ছিল অধিক জোরালো। কিন্তু সেদিন পরিবেশ ছিল কিছুটা ভিন্ন। সেদিন আর কথার মাইর হলো না। সামনে থেকে সিরিয়াল ওয়াইজ ধামাধাম রিঅ্যাকশন শুরু হয়ে গেল। শেষের একজনের আগে ছিল আমার সিরিয়াল। তিন জনের মাইরের সিরিয়াল শেষ হতে না হতেই ঘণ্টা বেজে উঠল। আমার আনন্দ আর দেখে কে। স্যার কয়েকটি কড়া ভাষায় ঝাড়ি মেরে ক্লাস শেষ করে শিক্ষক মিলনায়তনে চলে গেলেন। আমি সেদিনের মতো বেঁচে গেলাম।

কিন্তু ঘটনাটি এ রকমভাবে হয়নি। ......... ঘণ্টা শোনার পর স্যার থেমে গেলেন এবং ঘড়ির দিকে তাকিয়ে কিছু একটা ভাবলেন, এরপর আট-দশ জনকে ওভারটেক করে আমার খাতা না নিয়ে আসার পাওনা আমার পিঠের ওপর বামপাশে কয়েক সেকেন্ডে বজ্রপাতের মতো বুঝিয়ে দিয়ে চলে গেলেন। এর অর্থ সেদিন বুঝতে পারিনি।

কিন্তু এখন ভাবলে মনে হয়, হয়তো সেই ঘটনার জন্যই আজ আমার হাতের লেখা অনেকেই পড়তে পারে। বর্ণগুলোর আকৃতি বুঝতে পারেন। আমি স্যারের প্রতি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।


.

No comments:

Post a Comment